পৃথিবীতে সবথেকে কঠিন কাজ কি?আর সবার কথা জানিনা কিন্তু আমার মনে হয় "বাচ্চা মানুষ করা"!!
আমি একটি সাত বছরের ছানার মা.গত সাত বছরের জীবনে আমার প্রচুর ঝড়-ঝাপ্টা র সম্মুখীন হতে হয়েছে।আমার প্রবল পরাক্রমশালিনী মাতৃদেবী এবং ততোধিক প্রবল পরাক্রম শালিনী শশ্রূমাতা দুজনেই অনেক অপ্রত্যাশিত ঝড়ের সাপ্লাই দিয়েছেন। অবশ্য পুরোটাই যে ইচ্ছকৃত তা বলা যায়না। তবে সেসবের ডিটেলস এ না গিয়ে ও বলা যায় যে ৭ বছরের পুরো সময়টা ই তারা ই ভরিয়ে রেখেছিলেন নানা সমস্যা দিয়ে।
দেখেছেন ,বাজে বকা টা একটা অভ্যেস ;যা লিখতে বসেছি এখনো সেই অব্দি পৌঁছতেই পারলুম না।
তো যা বলছিলাম,২০১৫ তে শাশুড়ি গত হবার পর প্রথম মনে হলো আমার সন্তানের প্রতি ও আমার কিছু দায়িত্ব আছে.আমার কন্যা তদ্দিনে ৫ পার করেছিলেন।প্রথম বার মনে হলো মেয়ে টা জন্মেই ৫ হয়ে গেল। বাড়িতে ৮ টি লোক ও একটি টিভি র মাঝখানে আমার বাচ্চার জীবনের একটা পর্ব পার হয়ে গেল.
তিনুক কে নিয়ে ছোটবেলা থেকে আমি কোনোদিন কিছু ঝামেলা ফেস করিনি। মানে খাওয়ানো,ঘুম পারানো ,জিনিস পত্র নষ্ট করা..কোনটাই না..ও বরাবরই খুব ভালো বাচ্চা।বরং আমি যেমন চেয়েছি ও তেমন হয়েছে।ওকে সারাক্ষন দেবার মতো সময় আমার ছিলোনা।কিন্তু যেটুকু সময় এ যা করতে চেয়েছি ও তাতেই সহযোগিতা করেছে।
সমস্যা তা শুরু হলো ২০১৫ থেকে। আগেও বুঝেছি অবশ্য।আমার মেয়ে সোশ্যাল skill অন্য আর ৫ টা বাচ্চার মতো নয়.প্রচন্ড ভয় যাকে বলে starnger anxiety .সেটা বুঝে ও কিছু করতে পারিনি আগে আমি। নিজেই চাপ এ পাগল হয়ে ছিলাম।বাচ্চাকে কি সাহস দেব!তারসঙ্গে বাড়িতে দাদু দিদা দের সঙ্গে থাকার জন্যে over -protective environment .মেয়ে নিজের বয়েসী বাচ্চাদের সঙ্গে মিশতে পারেনা ,group activity তে পার্টিসিপেট করতে চায় না। ওর দুটো সত্বা --একটা ভীতু যে failure এর ভয় লোক কে ইন্টারেক্ট করতে ভয় পায় ,দ্বিতীয় তা হলো নিজের পছন্দের জিনিস না হলে কান্না কাটি ঝগড়া করে সব কিছু পন্ড করা। (চলবে )
No comments:
Post a Comment